ঢাকাWednesday , 30 December 2020
  1. epaper
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও অপরাধ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইতিহাস ঐতিহ্য
  6. ইসলামি দিগন্ত
  7. কুষ্টিয়ার সংবাদ
  8. কৃষি দিগন্ত
  9. খেলাধুলা
  10. গণমাধ্যম
  11. জনদূর্ভোগ
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. দিগন্ত এক্সক্লুসিভ

কুষ্টিয়া-পাবনার সীমান্তে দুর্গম চরের ফসলী জমি কেটে চলছে বালি ব্যবসা

Link Copied!

পাবনা সদর উপজেলার চরভবানীপুর এবং কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বৌবাজার সংলগ্ন সীমান্ত ঘেষা দূর্গম চরাঞ্চল হওয়ায় প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে ফসলী জমির মাটি ও বালি কেটে বিক্রি করছে এক শ্রেণির অসাধু বালি ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাবনা সদর উপজেলার চরভবানীপুর এবং কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বৌবাজার সংলগ্ন সীমান্ত ঘেষা পদ্মা নদীর চরের ফসলী জমিতে স্থানীয়ভাবে তৈরি ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালি ও মাটি কেটে পাইপের মাধ্যমে পাবনা জেলার পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের চর ভাবানীপুর ও তার আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকাসহ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বৌবাজার এলাকার বিভিন্ন এলাকার পুকুর ও গর্ত টাকার বিনিময়েভরাট করা হচ্ছে।
আরও অভিযোগ পাওয়া গেছে, কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের স্বাধীনবাজার এলাকার ইদ্রিস বিশ্বাসের ছেলে আনিস বিশ্বাস পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের চর ভাবানীপুর গ্রামের মৃত রমজান খাঁর ছেলে বৃদ্ধ রেজাউল খাঁ, মান্নান খাঁ, সিদ্দিক খাঁ ও মৃত আকরাম খাঁর চর ভবানীপুর মৌজার ৬২১৫ নম্বর দাগের দুই বিঘা ফসলি জমির মাটি আনিসের নেতৃত্বে প্রায় ৩০ ফিট গর্ত করে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে জোড় করে কেটে বিক্রি করে দিয়েছে। এছাড়াও আশপাশের ফসলি জমিও ।
ভুক্তভোগী রেজাউল খাঁ বলেন, কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের স্বাধীনবাজার এলাকার ইদ্রিস বিশ্বাসের ছেলে আনিস বিশ্বাসআমার অন্য তিন ভাই পরিবার নিয়ে এলাকার বাইরে থাকায় ও আমি গ্রামে একা বসবাস করার সুযোগে আমার নিষেধ উপেক্ষা করে জোড় করেই পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের চর ভাবানীপুর চর ভবানীপুর মৌজার ৬২১৫ নম্বর দাগের আমাদের দুই বিঘা ফসলি জমির মাটি প্রায় ৩০ ফিট গর্ত করে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে কেটে বিক্রি করে দিয়েছে। আমরা এর এই অন্যায়ের প্রতিকার চাই।
ব্যাপারে অভিযুক্ত আনিস বিশ্বাসের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে পাবনা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোকসানা মিতা বলেন, এই বিষয়টি আমার জানা ছিলো না। আমি আপনার মাধ্যমেই জানলাম। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।