ঢাকাSaturday , 23 January 2021
  1. epaper
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও অপরাধ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইতিহাস ঐতিহ্য
  6. ইসলামি দিগন্ত
  7. কুষ্টিয়ার সংবাদ
  8. কৃষি দিগন্ত
  9. খেলাধুলা
  10. গণমাধ্যম
  11. জনদূর্ভোগ
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. দিগন্ত এক্সক্লুসিভ

বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ভাবির পরিবারের উপর হামলা আহত-২

Link Copied!

কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার হররা গ্রামে মোছাঃ রুশিলা বেগম (৪০) কে তার দেবর মোঃ হাবিল সরদার (৪০) দীর্ঘদিন দরে জোর পূর্বক বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছে। এমন প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ভাবি রুশিল কে বিভিন্ন সময় অকথ্য ভাষায় গালি গারাজ করে। রুশিলা বেগমের স্বামী হবিবর সরদার ৭ বৎসর পূর্বে তার ১টি ছেলে মোঃ শিহাব (০৭) এবং ২টি মেয়ে, মোছাঃ শিলা (২২), মোছাঃ নিলা (১৮) রেখে মারা যায়।

মোছাঃ রুশিলা বেগম বলেন, স্বামী হবিবর সরদার মারা যাবার পর থেকে মোঃ হাবিল সরদার তাকে বিবাহের প্রস্তাাব দেয়, কিন্তু আমার ১টি ছেলে ও ২টি মেয়ে থাকায়। এই অবস্থায় আমি আমার স্বামীর ভাই অর্থাৎ মোঃ হাবিল সরদার কে বিবাহ করতে অস্বীকার করি।  মোঃ হাবিল সরদার আমার স্বামীর নিজ নামীয় বসত ভিটা সহ জমা-জমি ও জমা-জমির উপর থাকা গাছপালা কেটে নিয়ে যায়।

উক্ত ঘটনায় আমি এলাকার মান্যগণ্য ব্যাক্তি বর্গের নিকট জানায়, তাঁরা মিল-মিমাংশাও করে দেয় কিন্তু হাবিল সরদার তাদের কথায় কর্ণপাত না করে তাদের এই রূপ ঘৃণিত কার্য-কলাপ জারি রাখে। হাবিল সরদার সব সময় আমকে বিবাহের জন্য চাপ, হুমকি দিতে এবং অকথ্য ও বাজে ভাষায় কথা-বার্তা বলে এমনকি আমাকে মারধর পর্যন্ত করেছে। এত কিছুর পরেও নিজের আত্ম সম্মানের ভয়ে চুপ ছিলাম। উক্ত ঘটনার সূত্র ধরে অদ্য ২৩/০১/২০২১ ইং তারিখ আনুমানিক সকাল ০৭:০০ ঘটিকা নাগাদ উক্ত হাবিল সরদার আমার বাড়িতে ইট ছুড়ে মারে, পরে আমি মোঃ মজিবর সরদার কাছে বিষয়টি জানাতে যায়। তখন মোঃ মজিবর সরদার আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারমুখি বিভিন্ন কথা বলতে থাকে। তখন আমি তাঁর কথার প্রতিবাদ করতে গেলে হাবিল সরদার রুখে এসে আমার মাথার চুল ধরে কিল,ঘুষি,চড় মারতে শুরু করে এক পর্যায় আমি মাটিতে পড়ে যায় তখন আমার চিৎকার শুনে আমার বাবা চতুর আলী শেখ (৬০) এবং আমার ছোট মেয়ে মোছাঃ শিলা খাতুন (২২) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আমাকে বাঁচাতে গেলে মোঃ মজিবর সরদার (৪৫) ও মোছাঃ বুড়ি খাতুন (৩৬) ধারাল দেশীয় ছোরা দিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে এবং আমার মেয়ের মাথায় কোপ লাগায় অনেকটা কেটে যায়। তখন আমাদের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে  প্রতিবেশীরা। আমার মেয়ে বাবাকে উদ্ধার করে এবং কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা জন্য ভর্তি করে। মেয়ের মাথায় ৫টি সেলাই গেছে আর আমার বাবার বাম হাতের রগ এবং বাম হাতের ০১টি আঙ্গুল কেটে গেছে।

ঘটনাস্থল থেকে আসার সময় উক্ত আসামীগণ আমাদের প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে আমি ও আমার পরিবারের জান ও মালের নিরাপত্তাহীনতা সহ আমি আমার মানহানির আশঙ্কা করছি। উক্ত আসামীদের কার্যকলাপে আমি প্রচন্ড ভাবে ভীতি অবস্থায় আছি বলেও জানান তিনি।

এঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি আবুল কালাম জানান তিন জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করা হয়।তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।