ঢাকাSaturday , 10 April 2021
  1. epaper
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও অপরাধ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইতিহাস ঐতিহ্য
  6. ইসলামি দিগন্ত
  7. কুষ্টিয়ার সংবাদ
  8. কৃষি দিগন্ত
  9. খেলাধুলা
  10. গণমাধ্যম
  11. জনদূর্ভোগ
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. দিগন্ত এক্সক্লুসিভ

কুষ্টিয়ার লক্ষাধিক নলকুপ অকেজো পানিরজন্য হাহাকার

Link Copied!

কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ার মাঝে প্রবাহিত অপরূপ প্রমত্ত গড়াই নদী আজ মৃত প্রায় অবস্থা। বসন্ত শেষ হতে নাহতেই পানির খুব একটা অস্তিত্ব নেই কুষ্টিয়ায় প্রবাহিত গড়াই নদীতে। প্রমত্তা গড়াই এখন পরিনত হয়েছে ছোটখালে। সেই সাথে নেমে গেছে পানির স্তর। এর প্রভাবে কুষ্টিয়া পৌর এলাকাসহ এর আসেপাশের প্রায় লক্ষাধিক নলকুপে উঠছে না পানি। এমনকি পৌরসভার থেকে দেওয়া সাপ্লাই পানির ও উৎপাদন কমে গেছে। পানির স্তর নেমে যাওয়ায় নদীর এমন করুন পরিনতির কারনে এখানকার মানুষের পাশাপাশি জীব-বৈচিত্রপড়েছে হুমকীর মুখে। পানির জন্য চলছে হাহাকার। সংস্লিষ্ট কতৃপক্ষ বলছে প্রাকৃতিক এই সমস্যা সমাধানে তাদের কিছুই করার নাই। তবে বৃষ্টি হলে অবস্থার পরিবর্তন হবে।

কুষ্টিয়া পৌরসভার দেয়া তথ্য মোতাবেক পৌরএলাকার ২১ টিওয়ার্ডে হোল্ডিংসংখ্যা ৩৭ হাজার, যার প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই নিজস্ব নলকুপ আছে। এছাড়া পৌরসভার পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় দেয়া হয়েছে আরো ৪ হাজার ৬শত নলকুপ। পানির স্তর নেমে যাওয়ার কারনে এসব এলাকার প্রায় সব নল কুপই হয়ে গেছে অকেজো। যেগুলো কাজ করছে সেগুলোতে পানি উঠছে অতিসামান্য। ১ বালিÍ পানিতুলতে আধা ঘন্টারও বেশি সময় লাগছে। শুধু পৌরএলাকাই নয়, শহরসংলগ্ন হরিপুরইউনিয়ন, কয়া, শিলাইদহ ইউনিয়নসহ আরো অনেক এলাকায় চলছে পানির জন্য হাহাকার। তবে গড়াই নদীর তীরবর্তী বসবাস করা মানুষের অবস্থা সবচাইতে বেশি খারাপ। পানির সংকট এতটাই প্রকট যে খাবার পানির পাশাপাশি গোছল, এবংগবাদি পশুরজন্য পানির ব্যাবস্থা করতে হিমশিম খাওয়া লাগছে। পানির জন্য নদির চরের প্রায় দেড় দুই কিলোমিটার হেটে যেতে হচ্ছে তাদের। এমন সংকটে এর আগে কখনো পরেননি তারা।
কুষ্টিয়া পৌর কতৃপক্ষ বলছে, নদী গুলোর নাব্যতানা থাকার পাশাপাশি পানির স্তর বিগত বছর গুলোর তুলনায় ২৫ থেকে ৩০ফিট নেমে যাওয়ায় হস্ত চালিত নলকুপে উঠছে না পানি। পানি সরবরাহের বিকল্প ব্যবস্থা সক্রিয়না থাকায় বিপাকে পরেছে জন জীবন।এমনকি পৌরসভারপক্ষ থেকে যে সাপ্লাই পানির ব্যাবস্থা করা আছে তার উৎপাদন ও অনেক কম। এটি একটি প্রাকৃতিক সমস্যা বলে জানিয়ে তারা বলছে বৃষ্টি শুরু হলেই এই সমস্যা অনেকটাই কেটে যাবে।
আর পানির স্তর এভাবে কমে যাওয়ার পেছনে যত্র তত্র সাব মারসেবল(গভীরনলকুপ) পাম্পের ব্যবহারকে দায়ীকে করছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলঅধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা। তিনিবলেন, শুস্ক মৌসুমেপানির স্তর নিচেনামার সাথে সাথে নদীরপানিওযদি শুকিয়ে যায় সেক্ষেত্রে যেসব নলকুপের লেয়ারকম দেয়া সেসব নলকুপে পানিনা ওঠারই কথা। সেক্ষেত্রে নতুন নলকুপ স্থাপনের ক্ষেত্রে পরিকল্পনামাফিক আরো গভিরে লেয়ার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।