বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া লঘুচাপ রাতে নিম্নচাপে রূপান্তরিত হবে

অনলাইন ডেস্ক / ৮৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ২৩ মে, ২০২১, ৯:৫১ পূর্বাহ্ন

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া লঘুচাপটি আরো ঘনীভূত হয়ে এখন সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। রোববার রাতে সেটি নিম্নচাপে পরিণত হবে বলে তারা ধারণা করছেন।এ দিকে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হলে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে আগাম প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে বাংলাদেশের কর্মকর্তারা।আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা গণমাধ্যমকে বলেছেন, আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি, রোববার সন্ধ্যা বা রাত নাগাদ এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তখন সেটির কেন্দ্র, গতি বা কোনদিকে যাচ্ছে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।

নিম্নচাপে পরিণত হলে ২৫ থেকে ২৬ তারিখে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শনিবার উত্তর আন্দামান সাগর এবং আশপাশের এলাকায় ওই লঘুচাপের তৈরি হয়।

আবহাওয়াবিদরা পূর্বাভাস দিয়েছেন, বুধবার নাগাদ সেটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে আগামী বুধবার নাগাদ উডিষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের খুলনা উপকূলের দিকে এগিয়ে আসতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এটির নাম হবে ইয়াশ।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সাইক্লোন সংক্রান্ত আঞ্চলিক সংস্থা এসকাপের তালিকা অনুযায়ী এই নামটি প্রস্তাব করেছে ওমান। এর অর্থ হতাশা।

ঘূর্ণিঝড়ের এই সতর্কবার্তা এমন সময়ে এলো, যখন বাংলাদেশের অনেক এলাকায় মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাপারে সতর্কবার্তা
ঘূর্ণিঝড়ের প্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০০টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের উদ্বোধন করে বলেছেন, আরেকটি ঘূর্ণিঝড় কিন্তু আসছে। সেটা কেবল তৈরি হচ্ছে, কতটুকু যাবে….এখন আধুনিক প্রযুক্তির কারণে আমরা অনেক আগে থেকেই জানতে পারি। আর সেই বিষয়ে পূর্ব সতর্কতা আমরা নিতে শুরু করেছি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো: এনামুর রহমান শনিবার জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াশ সুপার সাইক্লোনে রূপান্তরিত হতে পারে। সেই জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে তিনগুণ আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। মৃত্যু শূন্যের কোটায় নিতে শতভাগ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়ার প্রচেষ্টা করা হবে।

গত বছরের মে মাসে বাংলাদেশ ও ভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছিল ঘূর্ণিঝড় আম্পান। বাংলাদেশে আম্পানে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিক হিসেবে সাড়ে ১১ শ’ কোটি টাকা। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সরকারি হিসাবে অন্তত ৭২ জন আর বাংলাদেশে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর