ঢাকাTuesday , 1 June 2021
  1. epaper
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও অপরাধ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইতিহাস ঐতিহ্য
  6. ইসলামি দিগন্ত
  7. কুষ্টিয়ার সংবাদ
  8. কৃষি দিগন্ত
  9. খেলাধুলা
  10. গণমাধ্যম
  11. জনদূর্ভোগ
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. দিগন্ত এক্সক্লুসিভ

নায়িকা বানিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিবাহিত ছাত্রীকে বিয়ে করলেন নারী লোভী শিক্ষক

Link Copied!

প্রথম পর্ব্……..
রুপালি পর্দার নায়িকা বানিয়ে দেওয়া প্রলোভন দেখিয়ে বিবাহিত এক ছাত্রীকে বিয়ে করেছেন কুষ্টিয়ার একটি কোচিং সেন্টারের শিক্ষক ও তথাকথিত কথাসাহিত্যিক ওয়াহেদ সবুজ । ওই ছাত্রীকে কয়েক বছর আগে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন কুষ্টিয়া পৌর এলাকার জুগিয়া দক্ষিণপাড়ার মাসুক করিম। বিয়ের পর স্ত্রীকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্যই কুষ্টিয়া শহরের কোর কেয়ার কোচিং সেন্টারে ভর্তি করান। আর ঐ রাস্তায় চলা চলের সময় মাসুক করিমের স্ত্রী’ বন্যার দিকে নজর পড়ে নারী লোভী ওয়াহেদ সবুজের। নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে মাসুক করিমের স্ত্রী বন্যার সাথে কথোপকথন শুরু করে ঐ শিক্ষক। এক পর্যায়ে ঐ শিক্ষক তার স্ত্রীর সাথে পরোকিয়া প্রেমে আবদ্ধ হয় বলে জানান করিম। করিম আরো জানান ঐ শিক্ষক ও আমার স্ত্রী’র সাখে ছবি উঠে ওয়াহেদ সবুজ নামের ফেসবুক আইডিতে নিয়মিত পোষ্ট করতে থাকে। তারপর থেকে আমাকে বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন কথা শোনাতে থাকে। তখন আমি আমার স্ত্রী’র কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে আমার সাথে বাকবিতন্ড শুরু হয়। এক পর্যায়ে ঐ ওয়াহেদ সবুজ আমাকে নানা ভাবে ভয়ভিতি দেখাতে থাকে, আমি আইনের আশ্রয় নিতে গেলে সেখান থেকেও আমাকে হত্যার হুমকি দিতে থাকে। যার ফলে আমি ভয়ে কোথাও যেতে পারিনি।
মাসুক করিম বলেন ছোট বেলা থেকেই ভালোবাসা শুরু হয় আমার আর বন্যার মধ্যে । আমাকে একদিন দেখতে না পারলে সে পাগলের মতো হয়ে যেতো। সে আমাকে খুবই ভালোবাসতো। প্রতিটা মুহূর্তের খবর নিতো। দুইজনের সিদ্বান্তে আমরা পরিবারের লোকজনকে না জানিয়ে বিয়ে করেছিলাম। বিয়ের পর সংসার ভালোই চলছিল। বছর তিনেক সংসার করেছিলাম আমরা। ওই সময় দিন গুলো মধুর ছিল। কিন্ত সুখ আর বেশি দিন কপালে সয়নি। কথাগুলো কান্না ভরাকন্ঠে বলছিলেন কুষ্টিয়া পৌরসভার জুগিয়া দক্ষিনপাড়া এলাকার মাসুক করিম।
তিনি আরও বলেন,আমি ও বন্যা একই এলাকার বাসিন্দা ছিলাম। আগে ওরা শহরে থাকতো। ওর বাবার সঙ্গে শহরের এক ব্যক্তির পারিবারিক ঝামেলার কারণে ওরা আমাদের এলাকায় বসবাস করতো। সেখান থেকেই বন্যার সঙ্গে পরিচয় আমার। অল্প অল্প আলাপে জমে উঠে সম্পর্ক। এক পর্যায়ে তা প্রেমে রুপ নেয়। বিয়ষটি কাউকে না জানিয়ে বিয়ে করি।
তারপরই শুরু হয় সংসার। কিছুদিন পর বন্যা নিজের পড়াশোনার জন্য চাপ দিতে থাকে আমাকে। আমিও তাতে রাজি হই। পড়াশোনার জন্য ভর্তি করি শহরের কোর কেয়ার কোচিং সেন্টারে। সেখান থেকেই ওয়াহেদ সবুজের সঙ্গে পরিচয় হয় বন্যার। তারপরই গড়ে উঠে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক। বন্যা দেখতে সুন্দর হওয়ায় নায়িকা বানিয়ে দেওয়ার প্রলোভনও দেখান ওয়াহেদ সবুজ। এরপরই আমাদের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে সংসার করবে না বলে জানিয়ে দেন বন্যা। আমি ভেবেছিলাম রাগ হয়েছে একসময় সব ঠিক হয়ে যাবে। তা আর হলো কই? নিজের বউকে পড়াশোনা করার সিদ্বান্ত আমার জীবনের কাল হবে এটা কখনই ভাবিনি। আমার বিবাহিত স্ত্রী থাকা অবস্থায় ওয়াহেদ সবুজ তার ব্যাক্তিগত ওয়াহেদ সবুজ নামের ফেসবুক আইডি থেকে যুগলবন্দী ছবি নিয়মিত আমার স্ত্রীর সাথে পোষ্ট করতে থাকে।
২০২০ সালের সেপ্টেম্বর,অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন যুগলবন্দী ছবি নিয়মিত পোষ্ট করতে থাকেন। তখনও আমার স্ত্রী ছিলেন বন্যা।হঠাৎ করে ২০২০ সালের নভেম্বর মাসের ১৫ তারিখে বন্যার স্বাক্ষর যুক্ত সরকারি ডাক যোগে তালাকের নোটিশ পাঠায় বন্যা। এরপর দৈনিক অধিকার পত্রিকার অনলাইন ভার্র্সন ৬ জানুয়ারি ২০২১, ২১:২০ থেকে জানতে পারি ওয়াহেদ সবুজ ও বন্যা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। মাসুকের প্রশ্ন তালাকের ৩ মাস পার না হতেই কি ভাবে ওয়াহেদ সবুজ বন্যা কে বিয়ে করেছেন।
শিক্ষক ওয়াহেদ সবুজ ও বন্যার কঠোর বিচার ও চেয়েছেন মাসুক করিম। একই বন্যা প্রথম স্বামীর সময় নাম ছিলো খন্দকার বন্যা আক্তার, দ্বিতীয় বিয়ের সময় নাম বদলে হয়েছেন রাফেয়াতুল আয়ত বর্না।
এ ব্যাপারে ওয়াহেদ সবুজের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,এ ব্যাপারে আমি কিছুই বলতে পারবো না। কিছু বলার থাকলে আমার সঙ্গে দেখা করে কথা বলতে হবে বলে কলটি কেটে দেন তিনি। এরপর একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে কলটি রিসিভ করেননি তিনি। দৈনিক অধিকার পত্রিকার অনলাইন থেকে জানা যায় ওয়াহেদ সবুজ একাধারে সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, সংগঠক, নির্মাতা, শিক্ষক, উপস্থাপক এবং উদ্যোক্তা হিসেবে সুপরিচিত।
তিনি অধিকারের মাল্টিমিডিয়া বিভাগের একাধিক অনুষ্ঠানের গ্রন্থনা, পরিকল্পনা এবং উপস্থাপনা করে থাকেন। শুধু তাই নয় তিনি দৈনিক অধিকারে নিয়মিত ফিচারও লেখেন।
ওয়াহেদ সবুজ বানান আন্দলনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ও সোহান ভার্সিটি কোচিং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সাজিদ প্রত্যয় ফিল্মস্ এর কাহিনী লেখক।
এর আগেও অন্য এক ছাত্রীকে বিয়ে করেন এই শিক্ষক সবুজ পরবর্তি ২০১৮ সালে সেই বিয়ের বিচ্ছেদ ঘটায়ও তিনি ।
২য় পর্ব্ আসছে…….

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।