ঢাকাTuesday , 25 August 2020
  1. epaper
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও অপরাধ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইতিহাস ঐতিহ্য
  6. ইসলামি দিগন্ত
  7. কুষ্টিয়ার সংবাদ
  8. কৃষি দিগন্ত
  9. খেলাধুলা
  10. গণমাধ্যম
  11. জনদূর্ভোগ
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. দিগন্ত এক্সক্লুসিভ

৩ বছরেও অগ্রগতি নেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের

kushtiardiganta
August 25, 2020 7:42 am
Link Copied!

বিশেষ প্রতিনিধি :: ঐ যে দেখছেন বিশাল এলাকা। সেখানে দখল করে বসে আছে রোহিঙ্গারা। ৩ বছরেও অগ্রগতি নেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের। এরই মাঝে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ । এখন তারা জামাই হালতে বসবাস করছেন।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসতে থাকে। মানবিক কারণে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ । আশ্রয় দিলেও মিয়ানমার সরকারের নানা টালবাহানায় আশ্রিতদের ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়া কোনোভাবেই বাস্তবায়িত হচ্ছে না। নিজ দেশে ফেরার আগ্রহ থাকলেও প্রত্যাবাসন অনিশ্চয়তায় চরম হতাশায় রোহিঙ্গারাও।

কক্সবাজারের মানুষদের দাবি, সময় যতোই গড়াচ্ছে ততোই রোহিঙ্গাদের কারণে বাড়ছে নানামুখি সংকট। আর এ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার লক্ষ‌্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার।
এখন কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্পে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গার বসবাস। কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংস্থ ক্যাম্প নম্বর ৪। রাস্তার পাশে দোকান করে ব্যবসা করছেন ।

হক্কানী দরবারের পরিচালক এম খালিদ হোসাইন কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা শিবিরে কাজ করার সময় রোহিঙ্গাদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করেন। তারাও জানান বিভিন্ন সমস্যার কথা।

তারা বলেন, ‘মিয়ানমার সরকারের নির্যাতনের কারণে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আসি। বাংলাদেশ সরকার আশ্রয় দিয়েছে। তাই আমরা এখনও এখানে থাকতে পারছি। কিন্তু নিজ দেশে আমরা যেভাবে চলতে পারতাম এখানে তো তা সম্ভব না। কারণ এটা আমাদের দেশ নয়। আমরা নিজ দেশে ফিরে যেতে চাই।’ কিন্তু সে বিষয়ে কোন সমাধানের পথই আমরা পাচ্ছিনা। তবে আমরা এখানেই ভালো আছি।

রোহিঙ্গা জমির উদ্দিন বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে কুতুপালং এসেছি ৩ বছর হলো। কিন্তু এখনও দেশে ফেরার কোনও ব‌্যবস্থা হলো না। যদি বিশ্ববাসী মিয়ানমারকে চাপ দিয়ে কোনও ব্যবস্থা করতে পারতো তাহলে আমরা ফিরতে পারতাম।’

স্থানীয়রা জানান, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হয়েছে নানা সংকট। আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে সংঘাতের। এরই মধ্যে উজাড় হয়েছে বন, পাহাড়, কৃষি জমি। কাজ হারাচ্ছেন স্থানীয় শ্রমিকরা। তাই দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর দাবি জানান।

‘রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের মানুষ নানা সমস্যায় জর্জরিত। এই অবস্থা যদি চলমান থাকে তাহলে কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দাদের বসবাস করা দূরহ হবে। তাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত দ্রুত মিয়ানমারকে চাপ দিয়ে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা।’

উল্লেখ্য, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর জন্য ২০১৮ সাল থেকে কয়েক দফায় মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯১৯ জন রোহিঙ্গার তালিকা হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু আলোচনা ছাড়া মিয়ানমার সরকার এখন পর্যন্ত কাউকে ফেরত নেয়নি।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।