ঢাকাSunday , 7 November 2021
  1. epaper
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও অপরাধ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইতিহাস ঐতিহ্য
  6. ইসলামি দিগন্ত
  7. কুষ্টিয়ার সংবাদ
  8. কৃষি দিগন্ত
  9. খেলাধুলা
  10. গণমাধ্যম
  11. জনদূর্ভোগ
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. দিগন্ত এক্সক্লুসিভ

উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতি আবশ্যক

মাহমুদ শরীফ
November 7, 2021 1:33 pm
Link Copied!

সম্ভবত ১৯৮৮/৯৯ সালের ঘটনা। সে বছর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীতে বড় রকমের বন্যা হয়েছিল। ক্ষয়-ক্ষতির পরিমানও ছিল অনেক। মাঠের ফসল, গবাদী পশু, রাস্তা-ঘাট ধ্বংস ছাড়াও অনেক কাঁচা ঘর-বাড়ী তলিয়ে যায়। উপজেলার চকরঘুয়া বর্তমানে আলাউদ্দিন নগর গ্রামে তখন আমাদের বাড়ী ছিল। আমাদের বাড়ীটিও নতুন, তবে পুরাতন একটি ভিটায় হওয়ায় তলিয়ে যায়নি, উঠোনে পানি উঠেছিল পা পাতা সমান। বাড়ীর পশ্চিম পাশে নিচু জমিতে বাড়ী করেছিল রণজিৎ মিস্ত্রি নামের এক হিন্দু। শুনেছিলাম পাশের গ্রামের এক পরিত্যক্ত হিন্দু ভিটায় সে বাস করত। ভিটা থেকে উচ্ছেদ করে রণজিৎ পরিবারকে। শেষ পর্যন্ত ৬ শতাংশ জমি কিনে দরিদ্র হিন্দু পরিবারটি কোন মাটি না উঠিয়েই নিচু জমিতে ঘর তোলে। বন্যায় যা হওয়ার তাই হলো। ঘরের মেঝেতে বুক সমান পানি। উঠোনে মাছ ধরা যায়। কী বিপদ! কোথায় যাবে অসহায় পরিবারটি? যুবতী দুই মেয়ে কনক ও কমলা। ছোট্ট ছেলে বিদ্যুৎ আমার বয়েসী। আমি আর বিদ্যুৎ একই ক্লাসে গ্রামের স্কুলে পড়ি। সম্ভবত দ্বিতীয় শ্রেণিতে। ওরাই আমাদের সবচেয়ে নিকটতম প্রতিবেশী।

সন্ধার আগেই একদিন ওরা থালা-বাটি বিছানা-পত্র নিয়ে আমাদের ছাপড়া ঘরের বারান্দায় উঠে পড়লো। তখন আমার বেশ মজা হচ্ছিল, কারণ খেলার সাথী ঘরের ভেতর। তাছাড়া দুই দিদি আমাকে আদর স্নেহ করত ওর আপন ভাইয়ের মত। আমাদের ছোট্ট ঘরের মেঝতেই ওদের বিছানা হলো। কয়েক রাত কাটলো এভাবে। একই সাথে রান্না-খাওয়া। বন্যার পানি নামার পরিবর্তে যেন বাড়তে লাগলো, শেষ পর্যন্ত আমার আব্বা ও রণজিৎ কাকা পরামর্শ করে বাড়ীর উঠানে অস্থায়ী টিনের ছাপড়া বানালো। দীর্ঘ এক মাস ওরা আমাদের উঠানে বসত গড়লেও রান্না কিন্তু অধিকাংশ সময় হত একই সাথে। বারান্দায় বসে খাওয়া হত দাওয়াত খাওয়ার ন্যায়। হিন্দু পরিবারটির সাথে আমাদের যে আন্তরিকতা ছিল বন্যার করণে সেটা আরো সুদৃঢ় হয়। আমি কিন্ত তখন জাতি-গোত্র বলতে কিছুই বুঝতাম না। তবে ওরা যে আলাদা এবং বিপদে আছে সেটা অনুধাবন করতাম। অবশ্য কয়েক বছর পরে ওরা বাড়ী বিক্রি করে উপজেলার উত্তর চাঁদপুরে চলে যায়।

দুটি স¤প্রদায়ের দু‘পরিবার কিছু দিনের জন্য এক পরিবারে মিলে যাওয়ার ঘটনাটিতে হয়তো আমাদের ও তাদের কাছে অনেক স্মৃতি থাকতে পারে, কিন্তু আমার কাছে তেমন কোন স্মৃতি আর নেই ব্যক্ত করার মত। শুধু এতটুকু বুঝতে পারি বিপদের সময় জাতি ধর্ম গোত্র বর্ণ ঠিক থাকেনা। বাঁচার তাগিদে পরস্পর আপন হয়ে যায়। যেমন হয় ‘শাপে নেউলে ভাই ভাই‘।

অন্যদিকে আমার আব্বাজান আব্দুল বারী (বারিক দর্জি), সে নিজেও কুষ্টিয়া শহরে এক রবি নামের হিন্দুর দোকানে কাজ করতো। ছোটবেলায় দেখেছি রবি কাকার সাথে কত সহমর্মিতা- পারিবারিক বন্ধন!

এদিকে আমাদের কুমারখালী শহরের অধিকাংশ বড় দোকানের মহুরী বা প্রধান কর্মচারী হিন্দু। তাদের বিশ^াস করেন মহাজনেরা। বিশিষ্ট সুতা ব্যবসায়ী মরহুম হাজী বিল্লাল হোসেন তার প্রতিষ্ঠানে শরিদ বাবু নামের এক হিন্দুকে আজীবন কর্মচারী রেখেছেন। হাজী সাহেবের ছোট ভাই হাজী ডাক্তার রিয়াজ উদ্দিন দুলাল চাচার সাথে এই শরিদ বাবুর কী দারুণ বন্ধুত্ব দেখেছি তা ব্যক্ত করার নয়।

আবার মহামারী করোনায় মৃতু হিন্দুদের লাশ দাহ বা সৎকারে মুসলিমরা যেভাবে এগিয়ে এসেছে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।
সম্মানিত পাঠক, আমার ৮/৯ বছর কিশোর বয়সের বাস্তব স্মৃতিটুকু আর শরিদ বাবুর কথা যদি আপনাদের কাছে সা¤প্রদায়ীক স¤প্রীতির এক ক্ষুদ্র বাস্তব প্রমান হয়ে থাকে, তাহলে নিজেকে সফল বোধ করবো। না হলে ধরে নিবেন ঘটনাটি অনভিপ্রেত। সা¤প্রদায়ীক স¤প্রীতির এমন ঘটনা বা স্মৃতি হয় তো আপনিও দু‘একটি নয়, শত শত দিতে পারবেন বলে বিশ্বাস রাখি।

আসল কথা হচ্ছে, এখন সা¤প্রদায়ীক স¤প্রীতির বিষয়ে কিছু লিখবার প্রয়াস চালাবো। শুরুতেই সা¤প্রদায়ীক স¤প্রীতি শব্দ দুটি ভাঙ্গা যাক, সা¤প্রদায়ীক শব্দটি এসেছে মূলতঃ স¤প্রদায় থেকে। আর স¤প্রদায় অর্থে এক কথায় বলা যায়Ñ ভিন্ন জাতি, ভিন্ন গোত্র, ভিন্ন বর্ণ, ভিন্ন ধর্ম, ভিন্ন ভাষা বা ব্যক্তরীতি, ভিন্ন পছন্দ, ভিন্ন সংস্কৃতি প্রভৃতি। আবার মানব জাতি হিসাবে মুসলিম হিন্দু খৃষ্টান বৌদ্ধ এক ভিন্ন ভিন্ন জাতি সত্বা। অপর পক্ষে এসব ভিন্ন জাতি সত্বার মধ্যেও রয়েছে ভিন্ন রকম গোত্র। এক উপজাতি গোত্রের মধ্যেও আবার ভিন্নতা দৃশ্যমান, যারা এক একটি স¤প্রদায় বা এক্ষেত্রে গোষ্ঠি।

দ্বিতীয় শব্দ স¤প্রীতি। আর এই স¤প্রীতি বলতে বুঝায়- পরস্পর ঐক্য, সংহতি, সাহায্য – সহযোগিতা। তাহলে সা¤প্রদায়ীক স¤প্রীতি বলতে নিশ্চয় বলা যাবে Ñ সমাজ সংসারে বসবাসরত সকল স¤প্রদায়ের মধ্যে পরস্পর ঐক্য, সংহতি, সাহায্য – সহযোগিতার ইচ্ছা বা মনোভাব প্রকাশই হলো সা¤প্রদায়ীক স¤প্রীতি।

বিশ্ব বা মানব সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সার্বিক উন্নয়নের জন্য সা¤প্রদায়ীক স¤প্রীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আবশ্যক। নৈতিক ও মানবিক মূল্যোবোধ সম্পন্ন সবাই আমার সাথে এক মত হবেন আশা করছি। সা¤প্রদায়ীক স¤প্রীতি না থাকলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়ে, শান্তি-শৃংখলার অবনতি দেখা দেয়, সর্বোপরি দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নয়ন হয় বাধাগ্রস্ত, যেটা কোন ভাবেই কাম্য নয়। সা¤প্রদায়ীক স¤প্রীতি সবার মাঝে ধৈর্য্য, সহনশীলতা, শ্রদ্ধা ইত্যাদি গুনের বিকাশ ঘটায়। যার ফলে জাতি উন্নতির শীর্ষে আরোহণ করতে থাকে।

আমাদের পবিত্র ইসলাম ধর্মে সা¤প্রদায়ীক স¤প্রীতি রক্ষার জন্য বিভিন্ন ভাবে নির্দেশনা দিয়েছে। সা¤প্রদায়ীক স¤প্রীতি রক্ষা ও অমুসলিমদের অধিকার রক্ষায় ইসলাম যে বিধিবিধান দিয়েছে তা পৃথিবীর ইাতহাসে বিরল। বিশ্বনবী সা. মদীনার সনদে তার প্রমাণ দিয়ে গেছেন। তিনি প্রজাতন্ত্রের প্রধান হয়েও সনদের একটি ধারায় লিখেছিলেন Ñ“মদীনা সনদে স্বাক্ষরকারী ইহুদী, খৃষ্টান, পৌত্তলিক ও মুসলমানদের সমন্বয়ে একটি সাধারণ জাতি গঠিত হবে এবং সবার নাগরিক অধিকার সমান থাকবে। সকল স¤প্রদায়ের নিজ নিজ ধর্ম পালনের অনুমতি থাকবে। কেউ কারো ধর্মে হস্তক্ষেপ করবে না“।

পবিত্র কোরআন মাজীদের সূরা তওবা‘র ৬নং আয়াতে মহান আল¬াহ বলেছেন, “যদি মুশরিকদের কেউ তোমাদের আশ্রয় প্রার্থী হয় তাহলে তোমরা তাকে আশ্রয় দাও, যাতে সে আল্ল¬াহর বাণী শুনতে পারে। অতঃপর তাকে তার নিরাপদ স্থানে পৌছিয়ে দাও“।
কোরআন ও হাদিস এবং ইসলামী সালতানাতের ইতিহাসে অমুসলিমদের জান-মাল, ইজ্জত, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের হেফাজতের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। সংখ্যালঘু স¤প্রদায় তথা বাংলাদেশের হিন্দু সমাজ মুসলিমদের কাজে আমানত। তাদের যে কোন ধরনের ক্ষতি করা আল্ল¬াহ ও রাসুল সা. এর মতবিরোধী।

আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন ঃ “একদা জনৈক বেদুঈন দাঁড়িয়ে মসজিদে পেশাব করল। তখন লোকেরা তাকে বাধা দিতে গেলে নাবী সাঃ তাদের বললেনঃ তোমরা তাকে ছেড়ে দাও এবং ওর পেশাবের উপর এক বালতি পানি ঢেলে দাও। কারণ তোমাদেরকে কোমল ও সুন্দর আচরণ করার জন্য পাঠানো হয়েছে, রূঢ় আচরণ করার জন্য পাঠানো হয়নি।” (বুখারী)
সম্প্রতি কুমিল্লায় মহাগ্রন্থ আল কোরআন অবমাননা নিয়ে যা ঘটেছে নিঃসন্দেহে এটা অন্যায়। আবার এটাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা মামলা ভাংচুর সেটাও মহা অন্যায়। কুমিল্লার অপ্রীতিকির ঘটনা মুলতঃ বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের এক সুগভীর ষড়যন্ত্র বৈ আর কিছুই নয়।

আল কোরআন নিয়ে মুসলমানদের আবেগ থাকবে, কিন্ত সেই আবেগ নিয়ে অন্যায় আক্রমণকারী মোটেও সত্যিকার মুসলিমের হতে পারেনা। নবী সাঃ অন্য সম্প্রদায়ের উপাশনায় বাধা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কেয়ামতে নালিশ করবেন বলেও হাদীসে প্রমাণ। আর আল কোরআন অবতীর্ণ করেছেন যিনি, তিনিই এর রক্ষাকারী। কেয়ামত পর্যন্ত আল কোরআন থাকবে। যারা এই ঐশী বানী নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তারা ধ্বংস হবেই এটা আমার বিশ্বাস। মহান আল্লাহ্ ছাড় দেন ছেড়ে দেন না। তাই আসুন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হোক এমন কাজ না করি।
কিন্ত সত্য হলেও দুঃখ আর পরিতাপের বিষয়, বর্তমানে বাংলাদেশের অমুসলিম স¤প্রদায়ের উপর যে নির্যাতন হলো তা নিয়ে দোষারোপের রাজনীতিতে কাদা ছোঁড়াছুড়ি কম হচ্ছেনা। সত্য মিথ্যা ও বাস্তব পরিস্থিতি যেটাই হোক সরকারি পক্ষ থেকে কোন তদন্ত ছাড়াই ঢালাও ভাবে বিএনপি-জামায়াত জোটের উপর দোষ চাপানো হচ্ছে। মামলা আর গ্রেফতার হয়রানী চলছেই।

দেশে যেখানে দ্রব্যমুল্যের চরম উদ্ধগতি, করোনার কারনে লাখ লাখ মানুষ বেকার, ভারতীয় আগ্রাসন, দুর্নীতি চরম আকার ধারন করেছে। সেখানে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলা করে কোন পক্ষ ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় এটা আমজনতার কাছে স্পষ্ট। অন্যভাবে বলা যায়, ‘ঠাকুর ঘরে কেরে? আমি কলা খাইনা‘! তাছাড়া পান থেকে চুন খসলেই বিরোধী জোটকে ঘায়েল করার নতুন তরিকা এটা বৈকি!
গত নির্বাচনোত্তর হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর হামলা কারা করেছে সে বিষয়ে জাতীয় মানবাধীকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, জামায়াত-শিবিরের উপর দোষ চাপানো সরকারি গল্প। রংপুরের ঘটনায় সরকারদলীয় ছাত্রনেতা জড়িত সেটা প্রমান করে এ যেন ‘উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে‘ চাপানোর অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়। হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদও তাদের উপর হামলার জন্য সরকারি দলের নেতা-কর্মীদের দায়ী করেছেন বহুবার। তারা সাংবাদিকদের জানিয়েছে, সরকার ইচ্ছা করলে এসব হামলা ঠেকাতে পারতো। আবার হিন্দুবাড়ি আগুন দিতে গিয়ে সোনার ছেলে আটকও হয়েছে, এ সোনার ছেলে কে তা মিডিয়ার মাধ্যমে জনগণ জেনে গেছে।

বাংলাদেশ সা¤প্রদায়ীক স¤প্রীতির এ উজ্জল দৃষ্টান্ত। ভারত ও মায়ানমারে যেখানে সা¤প্রদায়ীক দাঙ্গায় প্রতিনিয়ত মুসলমানেরা মারা যায়, সেখানে বাংলাদেশের ঘটনা নিশ্চয় ভাবুক মনে ভাবনার উদ্বেগ করবেই। ভারত ও বার্মায় সব মুসলিম নিধন হয়ে গেলেও এখানে বসবাসরত হিন্দু কিংবা বৌদ্ধদের গায়ে আঁচড় দেওয়া যাবেনা। কেননা, তারা নির্দোষ। তারা আমার প্রতিবেশি, উন্নয়ন কাজের অংশীদার, সর্বোপরি ওরা সম্মানীত দাদা-কাকা, দিদি-বৌদি কিংবা বন্ধু। ওদের উৎসব পার্বণে আমাদের সরব উপস্থিতি সা¤প্রদায়ীক স¤প্রীতির এক উজ্জল মেলবন্ধন। এখান থেকেই ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার‘ বাস্তবায়নের প্রয়াস এসেছে। আমাদের উচিৎ ছিল বিষয়টি যেহেতু ধর্মীয়, সেহেতু পুরোহিত ও আলেমদের নিয়ে বৈঠক করে সমস্যার সমাধান করার। কিন্ত দোষারোপের অপরাজনীতির কারনে আমরা এ থেকে হাহুতাস ছাড়া আর কিছুই দেখতে পেলাম না।

সুতরাং হিন্দুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা দানের পাশাপাশি সব ক্ষেত্রে স¤প্রীতি বজায় রাখতে হবে। তাদের প্রতি কোনরূপ অত্যাচার করা যাবেনা। সম্পদ দখলে নেওয়া যাবেনা। তাদের জান-মাল আর ইজ্জতের ভক্ষক নয়, হতে হবে রক্ষক। সংকীর্ণতা, হিংসা-বিদ্বেষ নয়, উদারতা ও মহানুভবতায় সৌহার্দ্যের স¤প্রীতি গড়ে তুলতে হবে। আর যে বা যারা এর বিপরীত কাজ করে অন্যের উপর দোষ চাপাতে চেষ্টা করবে সেই মহলকে ইতিহাস ক্ষমা করবেনা, ক্ষমা করেনি কোন কালে। শেষে বলি- ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া কিন্ত বুদ্ধিমানের কাজ!

লেখক ঃ শিক্ষক ও সাংবাদিক, কুমারখালী, কুষ্টিয়া। ০১৭১৭ ৫১২৬০০ # ৭/১১/২০২১

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।