ঢাকাSaturday , 10 October 2020
  1. epaper
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও অপরাধ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইতিহাস ঐতিহ্য
  6. ইসলামি দিগন্ত
  7. কুষ্টিয়ার সংবাদ
  8. কৃষি দিগন্ত
  9. খেলাধুলা
  10. গণমাধ্যম
  11. জনদূর্ভোগ
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. দিগন্ত এক্সক্লুসিভ

কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতু রক্ষা বাঁধে ভাঙন শুরু

Link Copied!

কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতু রক্ষা বাঁধের পূর্ব দিকে ধস নেমেছে। এখানে প্রায় ৩০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
বাঁধের পাশের চায়ের দোকানী আমজাদ হোসেন জানান, আজ (শনিবার) সকাল আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে বাঁধের ব্লকের পাশ দিয়ে বুদবুদ উঠে ধস শুরু হয়। বাঁধের পাশে নদী খননের কাজে নিয়োজিত একটি ড্রেজার দাঁড়িয়ে ছিল। পরে স্থানীয়রা আতংকিত হয়ে মাইকিং করে। এরপর ড্রেজার সেখান থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। এতে প্রায় ৫০ মিটার ব্লক ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এখনি যদি এই ধস থামানো না হয় তবে আশপাশের এলাকা ও শত কোটি টাকা দিয়ে নির্মীত কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতু নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতুর পূর্ব পাশে প্রাইমারি স্কুলের পাশ দিয়ে সেতু রক্ষা বাঁধ প্রায় ৩০ মিটার ধসে গেছে এবং প্রায় ৫০ মিটার বাঁধ দেবে গেছে।
১৯৯৫ সাল থেকে কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতু নির্মাণের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল হরিপুর বাসী। তাদের আন্দোলনের ফসল স্বরূপ ২০১৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এই সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরু করে। ২০১৭ সালের ২৪ শে মার্চ সেতুটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ৫০০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুটির নির্মাণে ব্যয় হয় ৯৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড কুষ্টিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী পিযুষ কৃষ্ণ কুন্ডু’র সাথে মুঠোই ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই বাঁধ নির্মাণ করেছেন এলজিইডি। এটা আমাদের দেখার ব্যাপার না। এটা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব এলজিইডির। স্থানীয়দের অভিযোগ সেখানে ড্রেজার রাখার কারণে এই ধসের সৃষ্টি হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এটা সত্য নয়। সেখানে ড্রেজিং কাজ করা হচ্ছে না যে বাঁধ ধসে যাবে।
এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুর রহমান মন্ডলের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি এখনই উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলীকে বিষয়টি দেখার জন্য বলছি।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।