ঢাকাSaturday , 10 October 2020
  1. epaper
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও অপরাধ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইতিহাস ঐতিহ্য
  6. ইসলামি দিগন্ত
  7. কুষ্টিয়ার সংবাদ
  8. কৃষি দিগন্ত
  9. খেলাধুলা
  10. গণমাধ্যম
  11. জনদূর্ভোগ
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. দিগন্ত এক্সক্লুসিভ

কুষ্টিয়া এলজিইডির দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইভটিজিংয়ের অভিযোগ

Link Copied!

কুষ্টিয়ার এলজিইডির দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগ মারধর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল।
যেখানে ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে সেখানে এমন ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও পাওয়া যায়। সেখানে দেখা যাচ্ছে দুই যুবককে কয়েকজন মিলে পেটাচ্ছে এবং কান ধরে ক্ষমা চাওচ্ছে। কুষ্টিয়া এলজিইডির দুই উপ-সহকারী প্রকৌশলী এক গৃহবধুকে ইভটিজিং করায় ওই গৃহবধুর স্বামী কৌশলে কুষ্টিয়া থানাপাড়া এলাকায় ডেকে এনে মারধর করে। ভিডিও ক্লিপে দেখা যায় ওই দুই কর্মকর্তাকে কান ধরাচ্ছে এবং চড় থাপ্পড় ও লাথি মারতে। সেখানে ইমরানের গেঞ্জি খুলে পেটাচ্ছে স্থানীয়রা। তারা দুজনই ক্ষমা চাচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছে।
ইভটিজিংয়ের শিকার ওই নারীর স্বামী জানান, আমরা মার্কেটে গিয়েছিলাম। কুষ্টিয়া এন.এস. রোর্ডের মিশন স্কুলের সামনে আমার স্ত্রী দাঁড়িয়ে ছিল আমার অপেক্ষায়। আমি তখন রাস্তার অপর প্রান্তে ছিলাম এমন সময় আমার স্ত্রীকে একা পেয়ে দুই যুবক মোটরসাইকেল যোগে এসে দাঁড়িয়ে একটি কাগজে নাম্বার লিখে বুকে ছুড়ে দেয় এবং বাজে মন্তব্য করে। আমার স্ত্রী কান্নাকাটি করে আমাকে ডাক দিলে ওই দুই যুবক পালিয়ে যায়। পরে তাদের ছুড়ে দেওয়া চিরকুটে লেখা নাম্বারে কৌশলে ফোন দিয়ে ডেকে আনা হয়। সেখানে তারা তাদের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চাই। এসময় উপস্থিত জনতা তাদের মারধর করে।
পরে তাদের পরিচয় জানা যায় তারা দুজন কুষ্টিয়া এলজিইডি অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী। একজনের নাম প্রকৌশলী মোকার রবিন ও অপর জনের নাম প্রকৌশলী ইমরান হোসেন। মোকার রবিন কুষ্টিয়া এলজিইডির খুলনা বিভাগ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এবং ইমরান হোসেন কুষ্টিয়া এলজিইডির দেশব্যাপী গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের উপ-সহকারী প্রকৌশলী‌। এদিকে ইভটিজিংয়ের শিকার ওই নারীর স্বামী বলেন সম্মানের ভয়ে আমরা এবিষয়ে থানাতে অভিযোগ করিনি।
এদিকে একটি সূত্রে জানা যায়, এই দুই কর্মকর্তা এর আগেও এমন ইভটিজিংয়ের ঘটনা ঘটিয়েছে। এরা সন্ধ্যার পর একসাথে মোটরসাইকেল যোগে বের হয়ে একটু সুন্দরী নারী দেখলেই নাম্বার ছুড়ে দেয় এবং ইভটিজিং করে।
প্রকৌশলী মোকার রবিন মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোন কেটে দেয়। প্রকৌশলী ইমরান হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এবিষয়ে কুষ্টিয়া এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুর রহমান মন্ডলের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার কাছে এধরনের কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ভিডিও ভাইরালের বিষয়টি আমি আপনার কাছ থেকে শুনলাম।
কুষ্টিয়া এলজিইডির সুপারেন্টেন ইঞ্জিনিয়ার (AE) প্রকাশ চন্দ্র বিশ্বাসের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি শুনেছি। এই বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীকে বিস্তারিত জেনে ফলোআপ দিতে বলেছি।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।